Bangladesh Tigers

Bangladesh Cricket Team ALl the best for second Test

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Wednesday, March 14, 2018

চাপে থাকবে শ্রীলঙ্কা: মাহমুদউল্লাহ

চাপে থাকবে শ্রীলঙ্কা: মাহমুদউল্লাহ

বুধবার নিজেদের শেষ ম্যাচে ভারত ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশকে ১৭ রানে হারিয়ে। তিন ম্যাচে একটি জয়ে সমান দুই পয়েন্ট শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের। শুক্রবার এই দুই দলের লড়াইয়ে জয়ী দল খেলবে ফাইনালে।
টুর্নামেন্টে দুই দলের আগেই লড়াইয়ে ২১৫ রান তাড়ায় জিতে লঙ্কানদের স্তম্ভিত করে দেয় বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহর বিশ্বাস, ওই ম্যাচে হারের স্মৃতির পাশাপাশি প্রত্যাশার চাপটাও অনুভব করবে লঙ্কানরা।
“নতুন দিনে সবকিছুই নতুন হবে। তবে চাপের কথা বললে হয়ত সেটা শ্রীলঙ্কাই অনুভব করবে। তাদের ঘরের মাঠ। তাদের দর্শক। প্রত্যাশা বেশি। আবার দর্শকের সমর্থন একটা শক্তিও। আমাদের জন্য নতুন একটি খেলা। নতুনভাবে মাঠে নেমে পরিকল্পনা কিভাবে কাজে লাগাতে পারি, সেটা নিয়েই ভাবতে হবে।”
ভারতের বিপক্ষে হারের ক্ষতগুলো সারিয়ে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আরও নিখুঁত ক্রিকেট উপহার দিতে চান মাহমুদউল্লাহ।
“আজকে আমাদের অনেক কিছুই ঠিক হয়নি। তবে সেসব নিয়ে বেশি ভাবলে বরং ক্ষতি হবে। যে জায়গাগুলোয় আমরা উন্নতি করতে পারি এবং পরের ম্যাচে কাজে লাগাতে পারি, সেগুলো ভাবতে হবে।”

‘মুশফিক ছাড়া আর কেউ ভালো করতে পারেনি’

‘মুশফিক ছাড়া আর কেউ ভালো করতে পারেনি’

এই দুই ম্যাচেই মুশফিক অপরাজিত ৭২ রানে। তবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ছিলেন জয়ের নায়ক। কারণ লড়াইয়ে পাশে পেয়েছিলেন তামিম-লিটন-সৌম্যদের। ভারতের বিপক্ষে অপরাজিত ৭২ করেও মুশফিক পারেননি দলকে জেতাতে। লড়াইয়ে যে এদিন পাশে পাননি সহযোদ্ধাদের।
ম্যাচ শেষে সেই দিকই তুলে ধরলেন মাহমুদউল্লাহ। বোলিংয়ে খানিকটা ঘাটতির কথাও বলছেন অধিনায়ক। তবে মূল দায়টা দিলেন ব্যাটিংকেই।
“আজকে সব মিলিয়ে যদি পারফরম্যান্স দেখেন, বোলিংয়ের শুরু ভালো হয়েছিল প্রথম ৮-১০ ওভার। শেষ দিকে ২-৩টি ওভারে বেশি রান হয়েছে। সেখানে ১০টি রানও কম দিতে পারলে হয়ত বা ভালো হতো। ব্যাটিংয়েও ১৬০ রানের মধ্যে মুশির একাই ৭২। টপ অর্ডারে আরেকজন ভালো করতে পারলে হয়ত ব্যবধান গড়া যেত। সেটি আমরা পারিনি।”
আগের ম্যচে ২১৫ রান তাড়ায় জিতলেও এদিন ১৭৭ রান তাড়ায় ১৭ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। তবে উইকেট এদিন আগের মতো ব্যাটিং স্বর্গ ছিল না। একটু শুষ্ক ছিল, খানিকটা ছিল মন্থর, গ্রিপ করেছে বল। তবে সবকিছুর পরও রানটা তাড়া করার মতই ছিল, বলছেন মাহমুদউল্লাহ।
“আমার মতে, ওই রান তাড়া করার মতই ছিল। আমার বিশ্বাস ছিল আমরা পারব। কিন্তু মুশি ছাড়া আর কেউ ভালো করতে পারেনি। তামিম যদিও দ্রুত রান নিয়ে শুরু করেছিল, কিন্তু আরেকজন যদি দ্রুত ২৫-৩০ রানের ইনিংস খেলতে পারত, তাহলে অন্যরকম হতো।”
বাংলাদেশ অধিনায়কের মতে, এই উইকেটের আদর্শ ব্যাটিং করেছেন রোহিত শর্মা। উইকেট একটু কঠিন বুঝেই সময় নিয়ে ইনিংস গড়ায় মন দিয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক। শুরু থেকে শেষ বল পর্যন্ত খেলে করেছেন ৮৯ রান।
বাংলাদেশ হেঁটেছে উল্টো পথে। পাওয়ার প্লেতে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার ও লিটন দাস আউট হয়েছে দ্রুত রানের নেশায়। ভুলটা সেখানেই দেখছেন মাহমুদউল্লাহ।
“রোহিত শুরুতে সময় নিয়েছে। ইনিংসটি আস্তে আস্তে গড়েছে। খুব ভালো ব্যাট করেছে। আমরা হয়ত শুরুতে খুব তাড়াহুড়ো করেছি। এই জায়গাগুলোয় উন্নতি করতে হবে আমাদের। আরও পরিষ্কার ভাবনা ও পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামতে হবে।”
সূত্রঃ bdnews24.com

ভারতকে হারানো গেল না এবারও

ভারতকে হারানো গেল না এবারও

ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশকে ১৭ রানে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ভারত। এ নিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে সাত টি-টোয়েন্টির সবকটি জিতল ভারতীয়রা।
শুক্রবার প্রাথমিক পর্বের শেষ ম্যাচটি কার্যত এখন সেমি-ফাইনাল। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার লড়াইয়ে জয়ী দল উঠবে ফাইনালে।
বুধবার প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের উইকেট ছিল খানিকটা শুষ্ক ও মন্থর। উইকেট বুঝে পুরো ২০ ওভার ব্যাট করে ৮৯ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন রোহিত শর্মা। ভারত ২০ ওভারে তোলে ১৭৬ রান।
পাওয়ার প্লেতে তিন উইকেট হারিয়ে ফেলা বাংলাদেশ মুশফিকের একার লড়াইয়ে যেতে পারে ১৫৯ পর্যন্ত। আগের ম্যাচে ক্যারিয়ার সেরা অপরাজিত ৭২ রানের পর এবারও ঠিক ৭২ রানেই অপরাজিত মুশফিক।
 
দুই ইনিংসে মুশফিকের রান সমান হলেও বেশ ফারাক বলে। আগের ম্যাচে ৭২ করেছিলেন ৩৫ বলে, এদিন ৫৫। যেটির মূল কারণ টপ অর্ডারের ব্যর্থতা। আগের ম্যাচে মুশফিক পেয়েছিলেন দারুণ ভিত্তি। এদিন দলকে বিপর্যয় থেকে উদ্ধার করতে হয়েছে, আবার রান-বলের টানপোড়েনও মেলাতে হয়েছে। মুশফিক এদিনও হারেননি। কিন্তু পাশে পাননি কাউকে, তাই হেরে গেছে দল।
খানিকটা মন্থর উইকেটে রান তাড়ার জন্য প্রয়োজন ছিল ভালো শুরু আর বিচক্ষণতার সঙ্গে এগিয়ে চলা। বাংলাদেশ পারেনি কোনোটিই।
ভারতের নতুন বলেও আছেন একজন অফ স্পিনার। তামিমের সঙ্গে ওপেনিংয়ে তাই থেকে যান লিটন। তবে এবার আর শ্রীলঙ্কা ম্যাচের মতো বিস্ফোরক শুরু হয়নি। বরং সেই অফ স্পিনার ওয়াশিংটন সুন্দরেই হয়েছে সর্বনাশ।
বলা ভালো, নিজেদের পায়ে কুড়াল মেরেছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরাই। দারুণ চার মারার পরের বলেই বেরিয়ে এসে আলগা শটে উইকেট দিয়ে এসেছেন লিটন।
তামিম চাপ উড়িয়ে দিয়েছিলেন পরের ওভারেই। শ্রীলঙ্কা ম্যাচের ম্যান অব দা ম্যাচ শার্দুল ঠাকুরকে ইনিংসের তৃতীয় ওভারে তুলোধুনো করেন টানা চার বলে মারেন তিন চার ও এক ছক্কা।
কিন্তু পরের ওভারেই সুন্দরের বলে আত্মঘাতী শটে উইকেট বিলিয়ে আসেন সৌম্য। ৪ ওভার শেষে তামিমের রান ১২ বলে ২৬, বাকিরা মিলে ১২ বলে ২ উইকেটে ৯।
ইনিংস টানতে পারেননি সেই তামিমও। সুন্দরের শর্ট বলেই বাজে শটে আউট হন ১৯ বলে ২৭ রান করে। ষষ্ঠ ওভারে বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ৪০।
সুন্দরকেই টানা দুই বলে দারুণ দুটি চারে শুরু করেছিলেন মাহমুদউল্লাহ। শেষটা তারও হতাশায় মাখা। যুজবেন্দ্র চেহেলের যে শর্ট বলটি গ্যালারিতে পাঠানোর কথা, বাংলাদেশ অধিনায়ক তুলে দিলেন ফিল্ডারের হাতে।
সেখান থেকে মুশফিকের ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। সঙ্গী সাব্বির রহমান। এক-দুইয়ের পাশাপাশি সুযোগমতো বড় শটও খেলেছেন দুজন। সিরাজের এক ওভারে দুই চার এক ছক্কা এসেছে মুশফিকের ব্যাটে। বিজয় শঙ্করের ওভারে দুজনর দুটি চার। চেহেলের শেষ বলে সাব্বিরের বিশাল ছক্কা। ৩৪ বলে আসে জুটির পঞ্চাশ।
বাইরে ছিল না আর কোনো স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান। প্রয়োজন ছিল এই জুটির শেষ পর্যন্ত থাকা। হলো না সেটিই। শার্দুলের লেংথ বলে লাইন মিস করে বোল্ড সাব্বির। ৪৮ বলে ৬৫ রানের জুটিতে সাব্বিরের রান ২৩ বলে ২৭।
এরপর মুশফিক চেষ্টা করেছেন। পেরে ওঠেননি। শেষ দুই বলে রান না হওয়ায় নিজের সেরা স্কোরকে ছাড়ানোও হয়নি।
বোলিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল ভালোই। উইকেট না এলেও রানের গতি ছিল না তীব্র।
 
প্রায় দুই বছর পর দেশের হয়ে খেলতে নেমে বাঁহাতি আবু হায়দার প্রথম ওভারটি করেন দারুণ। প্রথম ৪ ওভারে রান আসে ২৭।
পরের দুই ওভারে ২২ রান নিয়ে পাওয়ার প্লেতে ভারত পায় ৪৯। এরপর আবার রানের গতিতে বাংলাদেশের একটু বাধ। শিখর ধাওয়ান ও রোহিত শর্মার মত দুজন আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান থাকার পরও ১০ ওভারে ভারত তুলতে পারে ৭১ রান।
দুই ওপেনারই আউট হতে পারতেন আগেই। আবু হায়দার আরেকটু জোর চেষ্টা করলে রুবেলের বলে ৭ রানে আউট হতে পারতেন রোহিত। সীমানায় লিটন বলের ফ্লাইট ভালো বুঝতে পারলে ২২ রানে ফিরতে পারতেন ধাওয়ান।
শেষ পর্যন্ত ১৪৩ কিলোমিটার গতির দুর্দান্ত এক ইয়র্কারে ধাওয়ানের স্টাম্প উপড়েছেন ম্যাচে বাংলাদেশের সেরা বোলার রুবেল। ২৭ বলে ৩৫ রানে ধাওয়ানের বিদায়ে ভেঙেছে ৭০ রানের জুটি।
রোহিত তখনও লড়ছেন ছন্দ পেতে। দশম ওভার শেষে তার রান ৩২ বলে ৩৩। তবে উইকেট ছুঁড়ে আসেননি। অপেক্ষা করেছেন নিজের পছন্দের জায়গায় বল পাওয়ার। পেলে সেটির ফায়দা তুলেছেন সর্বোচ্চ।
সুরেশ রায়নার ইনিংসও এগিয়েছে একই পথরেখায়। শুরুতে কিছুটা সময় টাইমিং পেতে লড়েছেন। প্রিয় স্লগ সুইপে ছক্কা মারার পর ফিরে পান আত্মবিশ্বাস। মন্থর উইকেটে দারুণ ব্যাটিং করেছেন দুজনই।
১৩ থেকে ১৯, প্রতিটি ওভারেই বাউন্ডারি বের করেছেন রোহিত ও রায়না। বাংলাদেশকে বেশি ভুগিয়েছে আবু হায়দারের করা ১৮তম ওভার। তিন ছক্কায় ওই ওভার থেকে এসেছে ২১।
রুবেলের সৌজন্যে তবু ১৮০ করতে পারেনি ভারত। ইনিংসের শেষ ওভারটি দুর্দান্ত করেছেন রুবেল। প্রথম বলে রায়নাকে ফিরিয়েছেন, শেষ বলে রান আউট করেছেন রোহিতকে। শেষ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ৪ রান।
৫টি করে চার-ছক্কায় ৬১ বলে ৮৯ করেছেন রোহিত, ৩০ বলে ৪৭ রায়না। শেষ ১০ ওভারে ভারত তোলে ১০৫ রান।
মুশফিকের আরেকটি বীরোচিত ইনিংসের পরও ভারতের রান রয়ে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ভারত: ২০ ওভারে ১৭৬/৩ (রোহিত ৮৯, ধাওয়ান ৩৫, রায়না ৪৭, কার্তিক ২*; আবু হায়দার ০/৪৩, নাজমুল অপু ০/২৭, রুবেল ২/২৭, মুস্তাফিজ ০/৩৮, মিরাজ ০/৩১, মাহমুদউল্লাহ ০/৯)
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৫৯/৬ (তামিম ২৭, লিটন ৫, সৌম্য ১, মুশফিক ৭২*, মাহমুদউল্লাহ ১১, সাব্বির ২৭, মিরাজ ৭, আবু হায়দার ০*; সিরাজ ১/৫০, সুন্দর ৩/২২, শার্দুল ১/৩৭, যুজবেন্দ্র ১/২১, শঙ্কর ০/২৮)
ফল: ভারত ১৭ রানে জয়ী
ম্যান অব দা ম্যাচ: রোহিত শর্মা
সূত্র ঃ bdnews24.com

Tuesday, March 13, 2018

আবারও ‘নাগিন নাচ’ নাচতে চান মুশফিক

আবারও ‘নাগিন নাচ’ নাচতে চান মুশফিক

• আলোচিত উদ্‌যাপন নিয়ে অবশেষে বললেন মুশফিক 
• দুর্দান্ত খেলে মুশফিক আবারও এভাবে উদ্‌যাপন করতে চান 
• মুশফিকের মতে, স্মার্ট ক্রিকেটারদের দল বাংলাদেশ 
• এই জয়টা বিশেষ করেই দরকার ছিল বাংলাদেশের
মুশফিকুর রহিমের উদ্‌যাপন বেশ আলোচিত হয়েছে গত দুই দিনে। তাঁর ‘নাগিন নাচ’ ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বাঁধনহারা উদ্‌যাপন মুশফিকের নতুন নয়। তবে পরশু প্রেমাদাসায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দলকে জিতিয়ে যে ভঙ্গিমায় নেচেছেন, সেটি অবশ্য ব্যতিক্রম।
জয়ের পরে তো নয়ই, এমনকি কাল টিম হোটেলে বারবার অনুরোধের পরও মুশফিক কিছু বলতে চাইলেন না এ নিয়ে। গতকাল বিকেলে সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবের (এসএসসি) নেটে অনুশীলন করতে এসে শোনালেন তাঁর উদ্‌যাপনের গল্প, ‘এটা সাধারণ একটা উদ্‌যাপনই। হয়তো সবার ভালো লেগেছে, এত মাতামাতি হচ্ছে সে কারণে। দল জিতেছে, এটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার। আগে থেকে পরিকল্পিত কিছু ছিল না। উদ্‌যাপনটা দেখে অবশ্য বুঝতে পারবেন, জয়টা আমাদের কতটা দরকার ছিল।’ 
এক জয়েই শেষ নয়, বাংলাদেশ দল এ ছন্দটা ধরে রাখতে চায় সামনেও। একটি ম্যাচ জিতিয়ে মুশফিকও থামতে চান না। দুর্দান্ত ইনিংস খেলে এমন উদ্‌যাপন তিনি করতে চান আবারও, ‘এমন উদ্‌যাপন অবশ্যই আরও করতে চাইব। যেভাবে কঠোর পরিশ্রম আমরা করছি, এটা চাইতেই পারি। আসলে মানুষ শুধু ম্যাচের ফলটা দেখে। হয়তো গত কয়েক ম্যাচে ভালো করতে পারিনি, হয়তো একজন ব্যাটসম্যান একটু খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা যে আসলে কতটা কষ্ট করছি, সেটা আমরাই জানি।’

ম্যাচের পর তামিম ইকবাল বলেছেন, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাঁরা যেভাবে খেলেছেন, এটা হচ্ছে ‘বাংলাদেশি ব্র্যান্ড’। দলে হয়তো দুর্দান্ত ফিনিশার নেই, বড় পাওয়ার হিটার নেই। তবে অনেক ‘স্মার্ট ক্রিকেটার’ আছে। মুশফিক একমত তামিমের সঙ্গেও, ‘তামিম যেটা বলেছে, ওটাই আসল কথা। অন্যরা কী করতে পারে, সেটা না দেখে আপনি কী করতে পারেন, আপনার দলের শক্তির জায়গা কী, সেটা নিয়ে ভাবা উচিত। আমরা সেটি চেষ্টা করছি। যদিও টি-টোয়েন্টিতে আমরা অতটা ধারাবাহিক না। আমরা চেষ্টা করছি নিজেদের পরিকল্পনা ঠিকঠাক কাজে লাগাতে। তামিম যেমন বলেছে, আমাদের পিঞ্চ হিটার নেই, তবে কিছু ভালো, বুদ্ধিমান খেলোয়াড় আছে। তারা তাদের শক্তি, দক্ষতার জায়গাগুলো শতভাগ কাজে লাগাতে পারলে যেকোনো সংস্করণেই আমাদের জেতার সুযোগ আছে। এ ব্র্যান্ডটাই আশা করি আগামী দিনে আপনারা দেখতে পাবেন।’

সেটিই তো দেখার অপেক্ষায় গোটা বাংলাদেশ।

Monday, March 12, 2018

‘স্নেইক ডান্স’ উদযাপনের কারণ জানালেন মুশফি

‘স্নেইক ডান্স’ উদযাপনের কারণ জানালেন মুশফিক

দুই হাত উঁচিয়ে কণ্ঠের সবটা জোর দিয়ে হুংকার তো ছিলই, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের পর মুশফিকের উদযাপনে ছিল আরও কিছু। জয় এনে দেওয়া সিঙ্গেলটির পর ব্যাট ফেলে দুই হাত মাথার ওপর তুলে সাপের পর ফণা তুলে ছোবল দেওয়া ভঙ্গি করেন তিনি।
এরপর থেকেই সেই উদযাপন নিয়ে চলছে আলোচনার ঝড়। ম্যাচের পর অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলেও থামেনি কৌতুহলের স্রোত। ম্যাচের পর সোমবারই প্রথম সংবাদমাধ্যমের সামনে এলেন মুশফিক। শোনালেন উদযাপনের গল্প।
“কিছুই না। স্রেফ সাধারণ একটা উদযাপন। হয়ত সবার ভালো লেগেছে। এজন্য আলোচনা হচ্ছে। দল জিতেছে, এটাই সবচেয়ে বড় কথা। পরিকল্পনা করে করিনি। পূর্ব পরিকল্পিত কিছু ছিল না। এটায় আসলে ফুটে ওঠে একটা জয় আমরা কতটা তীব্রভাবে চাইছিলাম।”
মুশফিকের দাবি, জয়টা বহু আকাঙ্ক্ষিত ছিল বলেই তাৎক্ষনিক ভালোলাগার স্ফুরণ ছিল অমন উদযাপন।
“লোকে তো শুধু ম্যাচের ফলটাই দেখে। অনুশীলনের কঠির পরিশ্রম দেখে না। গত কয়েক মাস হয়ত আমরা খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু আমরা যে কত কষ্ট করছিলাম, এটা আমরা জানি। তো এত কষ্টের পর ফলটা যখন পাওয়া যায়, অবশ্যই খুব ভালো লাগে।”
শনিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে তামিম ইকবাল বলেছিলেন, উদযাপনটা হতে পারে নাজমুল ইসলাম অপুকে দেখানোর জন্য। নাজমুল অপুর সৌজন্যে এই উদযাপন বাংলাদেশের ক্রিকেটে বেশ চেনা। বিপিএলে এই বাঁহাতি স্পিনারের এমন উদযাপন নিয়মিতই দেখা যায়। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কেবলই শুরু হয়েছে তার পথচলা। অভিষেক টি-টোয়েন্টিতে মিরপুরে কিছুটা দেখিয়েছিলেন এই উদযাপন। তবে বাংলাদেশের বাইরে এখনও এটি সেভাবে দেখানোর সুযোগ পাননি। যেটি এখন ক্রিকেট বিশ্ব জুড়ে আলোচনায় মুশফিকের সৌজন্যে।
মুশফিকের কাছ থেকে পাওয়া উদযাপনের আনুষ্ঠানিক কারণের বাইরে আরেকটি গল্পের গুঞ্জনও ডালপালা মেলছে। দুই দলের সবশেষ সিরিজে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে একটি উইকেট পাওয়ার পর এই উদযাপন করেছিলেন শ্রীলঙ্কার দানুশকা গুনাথিলাকা। বাংলাদেশ দলের অনেকের ধারণা, অপুকে উদ্দেশ্য করেই অমনটা করেছিলেন গুনাথিলাকা। ধারণা করা হচ্ছে, মুশফিকের উদযাপন ছিল সেটিরই এক মধুর জবাব।

এবার হয়তো উনি ভাববেন যে আমি পারি: মুশফিক

এবার হয়তো উনি ভাববেন যে আমি পারি: মুশফিক

ত্রিদেশীয় সিরিজে শনিবার ৩৫ বলে ৭২ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশকে জেতান মুশফিক। ম্যাচের পরদিন সকালে বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “তামিম-সৌম্য যে মারতে পারে, এটা আমাদের জানা ছিল। লিটন যে মারতে পারে, জানা ছিল না। মুশফিক তো না-ই। সত্যি বলতে, মুশফিককে সবার সামনে কালকেও বলেছি, ‘তুমি যে এরকম মারতে পারো, আমি জানিই না!’ গত এক-দেড়-দু্ই বছর যদি দেখেন, মুশফিক ছয় মারতে গেলে বাউন্ডারিতে আউট হয়। আমি সবসময় বলি যে ও ছয় মারার খেলোয়াড় না।”
অথচ বাংলাদেশের হয়ে নিয়মিত বড় শট খেলতে পারেন হাতে গোনা যে কজন, মুশফিক তাদের অন্যতম। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মেরেছেন ১১৭ ছক্কা, বাংলাদেশের হয়ে যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
বোর্ড সভাপতির মন্তব্য নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে তুমুল। সোমবার কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে বাংলাদেশের অনুশীলনের আগে মুশফিকের কাছে জানতে চাওয়া হলো বোর্ড প্রধানের মন্তব্য নিয়ে তার প্রতিক্রিয়া। মুশফিকের হাসিতে ফুটে উঠল অনেক কথা। সে সবের কিছু উঠে এল কণ্ঠেও।
“এই ইনিংসের পর হয়ত উনি ভাববেন যে আমি পারি, আলহামদুলিল্লাহ। হয়তো উনি অন্যরকমভাবে আমার খেলা দেখেছেন। গত ২-৩ মাস আমরা যতটা কঠোর পরিশ্রম করেছি, সেটার ফল মিললে একটা ভালো লাগা থাকেই। হয়তো অনুশীলন উনি দেখেননি। ম্যাচে সেটা কাজে লেগেছে। তো দেখা যাক…।”
তার সামর্থ্য নিয়ে বোর্ড প্রধানের সংশয় থাকলেও নিজেকে নিয়ে কোনো সংশয় ছিল না মুশফিকের।
“নিজের ওপর বিশ্বাস থাকতে হয়। নিজের ওপর বিশ্বাসটা না থাকলে কেউ ভালো করতে পারবে না। উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য খুব ভালো ছিল। যে কোনো ব্যাটসম্যান এ রকম একটা ইনিংস খেলবে, এটাই স্বাভাবিক। সেটা আমি পেরেছি বলে খুশি।”
সূত্রঃ bdnews24.com

বিরক্ত বাংলাদেশ দল ফিরে গেল অনুশীলন না করেই

বিরক্ত বাংলাদেশ দল ফিরে গেল অনুশীলন না করেই

ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের খেলা যদিও প্রেমাদাসায় হচ্ছে, তবে এদিন এসএসসি মাঠে বাংলাদেশের অনুশীলন ঠিক হয়ে আছে বেশ আগে থেকেই। এসএসসি শ্রীলঙ্কার প্রধান টেস্ট ভেন্যু। ৪১টি টেস্ট হয়েছে এখানে, যা শ্রীলঙ্কার মাটিতে সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ দলের তাই এই মাঠ নিয়ে আপত্তি ছিল না। তবে অনুশীলনে গিয়ে সবাই বিস্মিত উইকেট দেখে।
কলম্বোতে সোমবার সকাল থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে থেমে থেমে। সেটিও একটি কারণ। তবে টিম বাসে ওঠার আগে উইকেট নিয়ে নিজেদের অসন্তুষ্টির কথা সরাসরিই বলে গেলেন ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ।
“এসএসসির প্র্র্যাকটিস উইকেট এটিই। আগেও প্র্যাকটিস করছে বাংলাদেশ এখানে। তবে উইকেট ভালো না। আমরা যেরকম চাই, ম্যাচে যেরকম খেলব, তার কাছাকাছিও উইকেট নয়। যে কেউ ইনজুরড হতে পারে এখানে, সেই ঝুঁকি নিতে চাইনি আমরা।”
“একটু তো অখুশিই যে অনুশীলন করতে পারলাম না। আমরা চেয়েছিলাম এখানে না হলে প্রেমাদাসায় যেতে। সেটা হয়নি। বৃষ্টি হচ্ছে, উইকেট ঢাকা। সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। ঢেকে রেখেছে ওরা। উপায় না দেখে আমরা ফিরে যাচ্ছি।”
শ্রীলঙ্কার চলতি প্রিমিয়ার ওয়ানডে টুর্নামেন্টের খেলাও সোমবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে বৃষ্টিতে। এসএসসি মাঠে একটি ম্যাচ হতে পেরেছে মাত্র ১৬ ওভার। তবে অনুশীলনের উইকেট প্রস্তুত না থাকা বিস্ময়করই।
ম্যানেজার জানালেন, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটকে নিজের অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ দল।
“আমরা বলেছি ওদেরকে। ওরা বলেছে, সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে, গ্রাউন্ডসম্যানরা প্রস্তুত করতে পারেনি। এখন প্রস্তুত করার সময় আবার বৃষ্টি নামল। তবে আমরা যখন এসে দেখেছি, তখন ভালো ছিল না উইকেট।”
সূত্রঃ bdnews24.com

Best Java, Android Games, Apps

 
Best Java, Android Games, Apps Hot Downloads of 2015 !